Day Night Care

করোনা ভাইরাস এর লক্ষন কি কি?

করোনা ভাইরাস এর লক্ষন কি কি? করোনা ভাইরাস বর্তমানে ভয়াবহ অবস্থায় চলে গেছে। এমত অবস্থায় আমাদের সকলের উচিৎ সতর্ক থাকা। আমরা এর লক্ষন  সম্পর্কে আলোচনা করবো।করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির প্রথম অবস্থা হলো গলা ব্যাথা করবে। করোনা ভাইরাস শরীরে প্রবেশের আগে চারদিন গলায় অবস্থান করে থাকে। গলায় অবস্থান এর চারদিন পরে ভাইরাস ফুসফুসে প্রবেশ করে। ফুসফুসের সংক্রামন এর পরে ভাইরাস তাদের শরীরে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করে।এই কার্যক্রম এর লক্ষন হলো, পেশিতে ব্যাথা করা, সর্দী এবং কাশি হবে জ্বর হবে এবং অসুস্থ হয়ে পড়বে।

এমত অবস্থায় আমাদের উচিৎ সকল প্রকার কোলাকুলি বাতিল করা, জনসমাগন এড়িয়ে চলা, বাসায় অবস্থান করা।

করোনা ভাইরাস এর লক্ষন কি কি? করোনাভাইরাস, যার পোশাকি নাম কোভিড-১৯, সেই রোগটিকে এখন বিশ্ব মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এই ভাইরাস- যা পূর্বে বিজ্ঞানীদের অজানা ছিল- এর মধ্যেই চীনে অনেক মানুষের ফুসফুসের মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করেছে এবং বিশ্বের শতাধিক দেশে এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাসটা কী?

করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস – যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি।

ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯ – এনসিওভি বা নভেল করোনাভাইরসা। এটি এক ধরণের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।

২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স (পুরো নাম সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪জনের মৃত্যু হয়েছিল আর ৮০৯৮জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করোনাভাইরাস।

নতুন এই রোগটিকে প্রথমদিকে নানা নামে ডাকা হচ্ছিল, যেমন: ‘চায়না ভাইরাস’, ‘করোনাভাইরাস’, ‘২০১৯ এনকভ’, ‘নতুন ভাইরাস’, ‘রহস্য ভাইরাস’ ইত্যাদি।

এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগটির আনুষ্ঠানিক নাম দেয় কোভিড-১৯ যা ‘করোনাভাইরাস ডিজিজ ২০১৯’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

করোনাভাইরাস: লক্ষণ ও বাঁচার উপায় কী?

রোগের লক্ষ্মণ কী:

করোনা ভাইরাস এর লক্ষন কি কি? রেসপিরেটরি লক্ষ্মণ ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষ্মণ।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব অনেককে সার্স ভাইরাসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে যা ২০০০ সালের শুরুতে প্রধানত এশিয়ার অনেক দেশে ৭৭৪ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিলো ।

নতুন ভাইরাসটির জেনেটিক কোড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এটি অনেকটাই সার্স ভাইরাসের মতো।

করোনাভাইরাস: আপনার যা করা প্রয়োজন

“আমরা যখন নতুন কোনো করোনাভাইরাস দেখি, তখন আমরা জানতে চাই এর লক্ষ্মণগুলো কতটা মারাত্মক। এ ভাইরাসটি অনেকটা ফ্লুর মতো কিন্তু সার্স ভাইরাসের চেয়ে মারাত্মক নয়,” বলছিলেন এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মার্ক উলহাউস।